
নাটোর রেলস্টেশন থেকে জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ-ক্যামেরা চুরি
প্রতিবেদক, সিলেট
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:০০

সিলেটে ট্রেনের টিকিট সংকটের পেছনে কালোবাজারি ও মজুতদারির মতো কোনো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই মামলাটি করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী ট্রেনের টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উন্মুক্ত হওয়ার পরপরই মুহূর্তের মধ্যে বিক্রি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছেন সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল নোমান। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
সিলেটে ট্রেনের টিকিট সংকটের পেছনে কালোবাজারি ও মজুতদারির মতো কোনো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই মামলাটি করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) মামলার নথিপত্র পিবিআইয়ের কাছে পৌঁছেছে। মামলাটি তদন্ত করছেন সংস্থাটির উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আহাদ।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, আদালতের স্বপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অনলাইনে টিকিট উন্মুক্ত হওয়ার পর এত দ্রুত কীভাবে সব টিকিট বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র বা কালোবাজারির যোগসূত্র রয়েছে কি না—এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব পাবে।
জানা গেছে, সিলেট থেকে ঢাকাগামী উপবন, কালনী, জয়ন্তিকা ও পারাবত এক্সপ্রেস এবং চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। এসব ট্রেনের টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আসে।
পরবর্তীতে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে আদালতের কাছে ঘটনাটি সন্দেহজনক বলে প্রতীয়মান হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল নোমান।
মামলার এজাহারে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি ও মজুতদারির মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনলাইনে টিকিট বিক্রির প্রক্রিয়া এবং টিকিট দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার পেছনের কারণও তদন্তের আওতায় আসছে।
এ বিষয়ে সিলেট রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে রেলের টিকিট অনলাইনে কেনার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি কেউ কেউ কাউন্টার থেকেও টিকিট সংগ্রহ করেন। টিকিট বিক্রির অনলাইন প্রক্রিয়ায় স্টেশন কর্তৃপক্ষের সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক আবদুল আহাদ জানিয়েছেন, আদালতের স্বপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত তিনি করছেন। তদন্তের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া এবং টিকিট সংকটের প্রকৃত কারণ বের করার চেষ্টা করা হবে।