
বগুড়ায় শিক্ষককে পেটানো সেই স্কুলছাত্র আটক
প্রতিবেদক, পাবনা
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০:২৪

পাবনার ঈশ্বরদীতে আলোচিত দাদি হত্যা এবং নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলার বিচারকাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এ মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এখন হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত বিভিন্ন আলামত ও প্রমাণ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন আদালত।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নিহত সুফিয়া খাতুনকে হত্যার পর তাঁর নাতনি জামিলা আক্তার সেতুকে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর দাখিল করা অভিযোগপত্রে ৩১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে মোট ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তী সময়ে হত্যাকাণ্ড-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রমাণ গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষে মামলার চূড়ান্ত রায়ের দিকে এগোবে আদালত।
এর আগে, ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) মধ্যরাতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরদিন সন্দেহভাজন শরিফুল ইসলামকে তার বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে এককভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি।
এ ঘটনায় ১ মার্চ রাত ১২টার দিকে নিহত সুফিয়া খাতুনের মেয়ে মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেন।