
রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের আরও এক চালান
হিলি প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:৫৯

বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে বাড়ে দর্শনার্থীদের আনাগোনা। এবার শারদীয় দুর্গোৎসবেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। সীমান্তের শূন্যরেখায় দাঁড়িয়ে একনজর ভারত দেখার পাশাপাশি ওপারে থাকা আত্মীয়-স্বজনকে দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছে মানুষ। দূর থেকে প্রিয়জনকে একনজর দেখেই কেউ খুঁজে পাচ্ছেন প্রশান্তি, আবার কেউ ফিরছেন কাছে যেতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে।
হিলি সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ এসেছেন বগুড়া থেকে, কেউ দিনাজপুর, আবার কেউ ঢাকা থেকে। তাদের কেউ সীমান্তের কাছাকাছি এসে দুই দেশের বিভাজনরেখা দেখতে চান, কেউবা ওপারে থাকা স্বজনদের একনজর দেখার আশায় ছুটে এসেছেন।
গাইবান্ধা থেকে আসা দর্শনার্থী কমল রানী বলেন, তার অনেক আত্মীয়-স্বজন ভারতে থাকেন। প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় হিলি সীমান্তে এসে দূর থেকে তাদের দেখার চেষ্টা করেন তিনি। কাছ থেকে দেখা বা কথা বলার সুযোগ না থাকলেও স্বজনদের চোখের সামনে দেখতে পেয়ে মনে শান্তি পান।
অন্য এক দর্শনার্থী স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সীমান্ত দেখতে এসেছেন। তিনি বলেন, হিলি সীমান্তের কথা অনেক শুনেছেন। তবে এত কাছ থেকে আগে দেখা হয়নি। এবার পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসে সীমান্তের পরিবেশ দেখে তার ভালো লেগেছে।
তবে সীমান্তের কাছে এসেও ওপারে থাকা স্বজনদের সঙ্গে সরাসরি দেখা বা কথা বলতে না পারার আক্ষেপ রয়েছে অনেকের। উৎসবের সময়ে অন্তত কাছ থেকে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলে ভালো লাগত বলে জানান তারা।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে এ চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত আগের তুলনায় বেড়েছে। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে এটি তার প্রথম কর্মস্থল। এত বিপুলসংখ্যক মানুষ শুধু সীমান্ত দেখতে আসছেন—এটিও তার কাছে নতুন অভিজ্ঞতা।