
সরকার বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে নেবে: হাসনাত
প্রতিবেদক, ঝালকাঠি
প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৭

রাজাপুরের জরাজীর্ণ একটি বিদ্যালয়, এমন অবস্থা অনেক বিদ্যালয়ে। ছবি: সময় সংবাদ
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণ ভবনে চলছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের পাঠদান। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে শিশুদের স্কুলে পাঠিয়ে অভিভাবকরা থাকেন দুশ্চিন্তায়।
ভেঙে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা, দেয়ালের চুনকাম উঠে বেড়িয়ে আসছে ভেতরের ইট। দরজা-জানালারও একই অবস্থা। তবু নিরুপায় শিক্ষক ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে মেনে নিতে হচ্ছে অবকাঠামোগত চরম অনুপযোগী পরিবেশ। একটি কিংবা দুটি নয়, রাজাপুর উপজেলার বেশিরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এমন বেহাল দশা। আর তার মধ্যেই শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা বারোমাসই লেখাপড়া করতে হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট্ট শিশুদের। পাঠের উপযোগী পরিবেশে পাঠদান করাতে না পেরে হতাশ শিক্ষকরাও। আর অভিভাবকরা শঙ্কায় থাকেন দুর্ঘটনার কথা ভেবে।
অভিভাবক শফিকুর রহমান বলেন, আমরা স্কুলে সন্তানদের পাঠিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে চাই। সেখানে এই জরাজীর্ণ ভবনে শিশুদের পাঠিয়ে শঙ্কায় থাকছি। স্কুলগুলো দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।
তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রেখা খানম বলেন, ছাদ থেকে আমাদের গায়ে বালু ও ইটের টুরো পড়ে জামাকাপড় নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় ছাদ ফেঁটে পড়ার ভয়ও লাগে।
রাজাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ স্কুলগুলোর তালিকা তৈরি করে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। একটি স্কুলের বরাদ্দ এসেছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো স্কুলেই সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।
প্রসঙ্গত, রাজাপুর উপজেলায় ১২৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ের মধ্যে ১৪টিকে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে শিক্ষাবিভাগ। এরমধ্যে ৫টির অবস্থা চরম বেহাল।