
বাহরাইনের উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৫

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা।
যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বিশ্বনাথের প্রবাসীদের সংগঠন বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের ২০২৬ সালের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন গুলজার খান। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ মহব্বত শেখ এবং কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন মনির আহমেদ।
রোববার (১৮ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে দুটি প্যানেলের ৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সভাপতি পদে গুলজার খান ৩৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মিছবা উদ্দিন পান ৩৫৬ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে মহব্বত শেখ ৩৮৯ ভোট পেয়ে আব্দুল কুদ্দুসকে (৩৪৪) পরাজিত করেন। কোষাধ্যক্ষ পদে মনির আহমেদ ৩৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী নেছার আলী লিলু পান ৩৪৯ ভোট।
সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আখলাকুর রহমান (৪৩৫ ভোট) ও আজম খান (৪২৭)। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আব্দুর রহিম রঞ্জু (৪১৬) ও শরিফুল ইসলাম (৩৯৪)। সহকোষাধ্যক্ষ পদে আবুল হোসেন মামুন (৪০০), প্রেস অ্যান্ড পাবলিসিটি সেক্রেটারি পদে দৌলত হোসেন (৪১৩) এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মদরিছ আলী মফজ্জল (৩৯২) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
সাত সদস্যের নির্বাহী কমিটিতে সর্বোচ্চ ৪৫১ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন আজিজুর রহমান খান রাজু। অন্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন আমিনুর রহমান, আব্দুল বাছিত রফি, শাহ তাজুল ইসলাম, রুহেল ইসলাম, মো. কামরুজ্জামান ও আজিজুর রহমান রুমেল।
নির্বাচনে জয়ী হয়ে সভাপতি গুলজার খান বলেন, ট্রাস্টিদের আস্থা তার জন্য সম্মানের পাশাপাশি বড় দায়িত্ব। শিক্ষাবৃত্তির কার্যক্রম সম্প্রসারণ, সংগঠনের ঐক্য বজায় রাখা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করবেন।
সাধারণ সম্পাদক মহব্বত শেখ বলেন, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান। কোষাধ্যক্ষ মনির আহমেদ আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে। সংগঠনটির বর্তমান ট্রাস্টির সংখ্যা ৮০৮। নতুন নেতৃত্বের কাছে শিক্ষাবৃত্তির পরিধি বাড়ানো, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা জানিয়েছেন ট্রাস্টিরা।